শুক্রবার ০৩ এপ্রিল ২০২০, ২০শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষিত ও ভালো মানুষ বাড়াতে হবে ◈ শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষ্যে বাহাদুরপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানের অর্থায়নে ২ শতাধীক পরিবারের বস্ত্র বিতরণ ◈ আখাউড়ায় বিশেষ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিসহ আটক ১০ ◈ গাজীপুর মহানগর চাপুলিয়া মফিজ উদ্দিন খান উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে মোহাম্মদ নূরুল হক খান প্যানেল বিজয় ◈ বরুড়ায় ক্ষুদে কবি সবুজের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ◈ টঙ্গিবাড়িতে কারিগরি শিক্ষা বিষয়ক উদ্বুদ্ধকরণ সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ◈ তাহিরপুর পাটলাই নদীর তীরে মজুদ করা দুই মেট্রিকটন অবৈধ কয়লা জব্দ করেছে বিজিবি ◈ রাঙ্গুনিয়ায় একাধিক মামলায় জড়িত কালা বাচা আটক ◈ মোহনপুরে শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষে বস্ত্র বিতরণ করলেন এম.পি আয়েন উদ্দিন ◈ চকরিয়া পৌরশহরের পেঁয়াজের দোকানে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান

মাদক ব্যবসায়ীদের বাড়িতে সাইনবোর্ড

প্রকাশিত : ০৭:০১ পূর্বাহ্ণ, ৩ অক্টোবর ২০১৯ বৃহস্পতিবার ১৬৩ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :
alokitosakal

দেশের সীমান্ত এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের প্রতিরোধে নতুন কৌশলে মাঠে নেমেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ীদের বাড়িতে বাড়িতে মাদক ব্যবসায়ীর নামসহ সাইনবোর্ড টাঙানো হচ্ছে। সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুরের লাউয়েরগড় এলাকায় প্রথম এক মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে বলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদরদপ্তর সূত্র জানিয়েছে।

সারা দেশে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সরকারের যুদ্ধ ঘোষণা করার পরও তাদের রোধ করা যাচ্ছে না। তারা নিত্যনতুন পন্থা বা কৌশলে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছে। আর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় প্রতিদিনই দেশের কোথাও না কোথাও হতাহতের ঘটনা ঘটছে। আর ঠিক তখনই বিজিপির পক্ষ থেকে তালিকাভুক্ত এসব মাদক ব্যবসায়ীদের সামাজিকভাবে প্রতিরোধে এই উদ্যোগ নিয়েছে।

আর এই কৌশলের পর ওই মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে বিজিবির টাঙানো সাইনবোর্ড দেখতে শত শত ব্যক্তি সেখানে ভিড় করছেন বলে বিজিবির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এতে ওই তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী নিজে থেকেই মরণ নেশা মাদকের ব্যবসা থেকে বিরত থাকবেন বলে তারা আশা ব্যক্ত করেন।

বিজিবির সদরদপ্তরের এক সূত্র জানায়, গত ২২ সেপ্টেম্বর ফেনীর পরশুরাম উপজেলায় মাদক ব্যবসায়ীদের বাড়ি চিহ্নিত করে সাইনবোর্ড ঝুলানোর কাজ শুরু করেছে বিজিবি। ওইদিন বিকালে পরশুরাম উপজেলার বাউর খুমা গ্রামের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিনের বাড়িতে সাইনবোর্ড ঝুলিয়েছে বিজিবি। ফেনী ৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. নাহিদুজ্জামান ঘটনার দিন স্থানীয় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, পরশুরাম উপজেলার দুবলারচাদ থেকে ২০ পিস ভারতীয় ইয়াবা ও ৩ বোতল ফেনসিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিনকে আটক করা হয়। তার বাবার নাম মৃত নজরুল ইসলাম। উপজেলার বাউর খুমা গ্রামে তাদের বাড়ি। পরের দিন শনিবার ওই বাড়িকে ‘ইয়াবা ব্যবসায়ীর বাড়ি’ ও ‘মাদক ব্যবসায়ীর বাড়ি’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য মাদক ব্যবসায়ীদের বাড়ি একইভাবে চিহ্নিত করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

এর আগে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর এলাকায় বিজিবির অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী নবীবুলকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল মাকসুদুল আলম স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা করেন। ওই সভায় সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বয়কট করতে ও লজ্জা দিতে নানা বিষয়ে আলোচনা হয়। আলোচনা শেষে চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী নবীবুলের বাড়িতে একটি সাইনবোর্ড ঝোলানো হয়। ওই সাইনবোর্ডে লেখা রয়েছে ‘এদিকে ইয়াবা ব্যবসায়ী নবীবুল ইসলামের বাড়ি’। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় বেশ হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে। কৌতূহল নিয়ে স্থানীয় লোকজন সাইনবোর্ডটি পড়ছেন।

বিজিবির সুনামগঞ্জ অধিনায়ক লে. কর্নেল মাকসুদুল আলম স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, সীমান্ত এলাকায় মাদক বিশেষ করে গাঁজা পাচার রোধ করা যাচ্ছিল না। এজন্য আমরা সদরদপ্তরের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে শেয়ার করি। এরপর দীর্ঘদিন ধরে মাদকপাচার বন্ধে এলাকার লোকজনের সঙ্গে মতবিনিময় করি।

একপর্যায়ে স্থানীয়রা আমাদেরকে জানায়, এই মাদক ব্যবসায়ীদের দায় আমরা নেব না। তাদের মতামতের ভিত্তিতে মাদক ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করতে তাদের বাড়ির সামনে সাইনবোর্ড টাঙানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এই কৌশল অবলম্বনের ফলে গত প্রায় ১০-১৫ দিন ধরে কোনো মাদক উদ্ধার বা কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। এতেই বোঝা যাচ্ছে, কিছুটা হলেও সীমান্তে মাদকপাচার হ্রাস পেয়েছে। তাহিরপুরের লাউড়েরগড় এলাকার নবীবুলকে ইয়াবাসহ আটকের পর তার বাড়ির সামনে সাইনবোর্ড টাঙানোর কথা স্বীকার করেছেন তিনি। তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মাদকের মামলা রয়েছে। আর সম্প্রতি গ্রেপ্তার হলে তাকে সুনামগঞ্জ জেলহাজতে পাঠিয়েছে আদালত। এখন থেকে বিজিবি যাদের ইয়াবাসহ আটক করবে তাদের বাড়িতে এভাবেই সাইনবোর্ড ঝোলানো হবে বলেও জানান তিনি। এই কৌশলে তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ীরা লোক-লজ্জার ভয়ে ব্যবসা ছেড়ে দেবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্ত থেকে তিন হাজার পিস ইয়াবাসহ জিয়ারুল নামে এক মাদক ব্যবাসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে বিজিবি। মঙ্গলবার সীমান্তের দশ রশিয়া ঘাট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৩বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মাহবুবুর রহমান খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বাবার নাম মৃত মোবাররক হোসেন। শিবগঞ্জ উপজেলার তের রশিয়া গ্রামে তাদের বাড়ি।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদরদপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পিআরও) শরিফুর হোসেন আমার সংবাদকে জানান, গত আগস্ট মাসে ৪৬ কোটি ১৩ লাখ ৬৩ হাজার টাকার চোরাচালান ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত মাদকের মধ্যে রয়েছে ২ লাখ ৬৮ হাজার ৭৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৩২ হাজার ৬২৪ বোতল ফেনসিডিল, ৬ হাজার ১২ বোতল বিদেশি মদ, ৩৩৫ ক্যান বিয়ার, ৪২৬ কেজি গাঁজা, ২ কেজি ৫৬০ গ্রাম হেরোইন, ৩ হাজার ৭৯১টি নেশা জাতীয় ট্যাবলেট, দুই হাজার ৯৯টি ইনজেকশন এবং ৭ লাখ ৩৫ হাজার ৬১৭টি বিভিন্ন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। আর গত জুলাই মাসে ৩ লাখ ১৩ হাজার দুই পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২০ হাজার ৯৮১ বোতল ফেনসিডিল, এক হাজার ৭৭৩ কেজি গাঁজা, ১৬ হাজার ৭৭২ বোতল বিদেশি মদ, ৩ কেজি ৬৫৩ গ্রাম হেরোইন, চার হাজার ৩০০ পিস বিভিন্ন প্রকারের উত্তেজক ট্যাবলেট, এক হাজার ৬৩৯টি নেশাজাতীয় ইনজেকশন এবং ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫৮৭ পিস বিভিন্ন ধরনের অবৈধ ট্যাবলেট।

আর টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধীনস্থ হোয়াইক্যং বিওপিতে কর্মরত একটি টহলদল গত ৮ সেপ্টেম্বর দুই হাজার ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২-বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান, পিএসসি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আর গত সেপ্টেম্বর মাসে দেশের সীমান্ত এলাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে বিপুল মাদক উদ্ধার করেছে। উদ্ধারকৃত মাদকের মধ্যে রয়েছে— তিন লাখ ৬৩ হাজার ৪৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৩৩ হাজার ১৭৭ বোতল ফেনসিডিল, পাঁচ হাজার ৭৯৫ বোতল বিদেশি মদ, ১৬৭ লিটার বাংলা মদ, ৫৫৫ ক্যান বিয়ার, ৫৩২ কেজি গাঁজা, ১ কেজি ২৫০ গ্রাম হেরোইন, ১৮ হাজার ২৯৮টি নেশার ট্যাবলেট, দুই হাজার ৯৪১টি ইনজেকশন এবং এক লাখ ৫৬ হাজার ১০১টি অন্যান্য ট্যাবলেট।

সংশ্লিষ্টরা বলেন, ঢাকঢোল পিটিয়ে সাঁড়াশি অভিযান এবং কথিত বন্দুকযুদ্ধের পর অনেকে ধরে নিয়েছিল দেশে মাদকের পাচার ও কেনাবেচা কমে যাবে। কিন্তু ফলাফল উল্টো হয়েছে। অভিযান শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মাদকের আমদানি ও কেনাবেচা কমেনি বরং বেড়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের হিসাবে, অভিযান শুরুর পর গত এক বছরে বিভিন্ন সংস্থার অভিযানে পাঁচ কোটি ১৪ লাখ ইয়াবা বড়ি এবং ১০ মণ হেরোইন উদ্ধার হয়েছে, যা আগের বছরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। এর আগে কোনো বছরেই চার কোটির বেশি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার হয়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিসংখ্যান বলছে, স্থলপথ ও জলপথ দুই দিক থেকেই মাদক আসছে। মাদকের ভয়াবহতা রোধে ২০১৮ সালের ৪ মে দেশব্যাপী অভিযানের ঘোষণা দিয়ে ১৫ মে থেকে অভিযান শুরু করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, গত বছরের মে মাস থেকে চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত এক বছরে পাঁচ কোটি ১৪ লাখ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। আর এই সময়ের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে ৩৫৮ ব্যক্তি নিহত হয়েছেন এবং ১০২ জন ব্যক্তি আত্মসমর্পণ করেছেন।

কক্সবাজারের এক সূত্র জানায়, ইয়াবা ব্যবসায়ীরা কারাগারে থাকলেও ইয়াবা কেনাবেচা ও আমদানি বন্ধ হয়নি। এপ্রিল মাসে কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ায় সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে বিজিবি, র?্যাব, পুলিশ, কোস্টগার্ড ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ১২ লাখের মতো ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করেছে। এখন প্রায় প্রতিদিনই ইয়াবা উদ্ধার করা হচ্ছে। মিয়ানমার সীমান্তের কয়েকটি পয়েন্ট দিয়ে এখনো ইয়াবার চালান বাংলাদেশে পাচার হয়ে আসছে। আর রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে ইয়াবার রমরমা ব্যবসা চলছে। এপ্রিলে উখিয়ার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে পাচারের সময় ৩০ জন পাচারকারীর কাছ থেকে দুই লাখ ৩০ হাজার ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সদরদপ্তরের এক সূত্র জানায়, কক্সবাজার জেলার ৩০টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাস করা সাড়ে ১১ লাখ রোহিঙ্গার অনেকেই ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। সীমান্তে কাঁটাতার না থাকায় রোহিঙ্গারা অবাধে যাতায়াত করছে। এ সুযোগে তারা ইয়াবা আনার সুযোগ পাচ্ছে। টেকনাফের ইয়াবা ব্যবসায়ীদের ৭৩টি বাড়ি ও ২৭টি নৌযান গুপ্ত হামলায় ভাঙচুর হয়েছে। সর্বশেষ ২ মে টেকনাফের ইসলামাবাদ গ্রামের ইয়াবা ব্যবসায়ী সলিম উল্লাহর বাড়িতে গুপ্ত হামলার ঘটনা ঘটে। তবে অভিযানের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ইয়াবার নিয়ন্ত্রক সাবেক সাংসদ আবদুর রহমান বদি ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাফর আহমদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি radio-lalon'কে জানাতে ই-মেইল করুন- @gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

radio-lalon'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। radio-lalon | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT