সোমবার ০৬ এপ্রিল ২০২০, ২৩শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষিত ও ভালো মানুষ বাড়াতে হবে ◈ শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষ্যে বাহাদুরপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানের অর্থায়নে ২ শতাধীক পরিবারের বস্ত্র বিতরণ ◈ আখাউড়ায় বিশেষ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিসহ আটক ১০ ◈ গাজীপুর মহানগর চাপুলিয়া মফিজ উদ্দিন খান উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে মোহাম্মদ নূরুল হক খান প্যানেল বিজয় ◈ বরুড়ায় ক্ষুদে কবি সবুজের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ◈ টঙ্গিবাড়িতে কারিগরি শিক্ষা বিষয়ক উদ্বুদ্ধকরণ সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ◈ তাহিরপুর পাটলাই নদীর তীরে মজুদ করা দুই মেট্রিকটন অবৈধ কয়লা জব্দ করেছে বিজিবি ◈ রাঙ্গুনিয়ায় একাধিক মামলায় জড়িত কালা বাচা আটক ◈ মোহনপুরে শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষে বস্ত্র বিতরণ করলেন এম.পি আয়েন উদ্দিন ◈ চকরিয়া পৌরশহরের পেঁয়াজের দোকানে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান

চালকদের ডোপ টেস্ট

প্রকাশিত : ০৬:১০ পূর্বাহ্ণ, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ শুক্রবার ১৫৮ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :
alokitosakal

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে মাদকাসক্ত চালকদের ধরতে ঢাকার সড়কে ডোপ টেস্টের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের যৌথসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে এটি কার্যকর হবে।
উদ্যোগটি ভালো সন্দেহ নেই; তবে সড়ক দুর্ঘটনা যেহেতু শুধু রাজধানীতে সীমাবদ্ধ নয়, সারা দেশেই এটি উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে, সেহেতু এ কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে দেশের সব মহাসড়কে চালু করা উচিত বলে মনে করি আমরা।

সড়ক দুর্ঘটনার একটি বড় কারণ চালকের মাদকাসক্তি। ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক খন্দকার এনায়েত উল্যাহর মতে, রাজধানীর ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ বাস চালকই মাদকাসক্ত।

মাদকাসক্ত চালকদের বাস চালানো প্রতিরোধ করা জরুরি বটে। এ লক্ষ্যেই সড়কে চালকদের মূত্র পরীক্ষা বা ডোপ টেস্ট করা হবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে।
পরীক্ষায় মাদকাসক্ত প্রমাণিত হলে ওই চালকের লাইসেন্স বাতিল করা হবে এবং তাকে সরাসরি জেলে পাঠানো হবে। কাজেই চালকদের এ ব্যাপারে সতর্ক করে দিতে মালিকদের এখনই তৎপর হতে হবে।

ডোপ টেস্টের পাশাপাশি দুর্ঘটনার অন্য কারণগুলোও দূর করা প্রয়োজন। রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনার আরেকটি বড় কারণ চুক্তিতে বাস চালানো। মালিকদের এ প্রবণতার কারণে চালকরা সবসময় ‘টার্গেটের’ চাপে থাকেন। এর ফলে সৃষ্টি হয় অনাকাঙ্ক্ষিত প্রতিযোগিতা।

সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে এই বেপরোয়া প্রতিযোগিতার কারণে। সরকার ইতিপূর্বে চুক্তিতে বাস চালানো বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু আজও তা বাস্তবায়িত হয়নি। কেন বাস্তবায়িত হয়নি তা আমাদের বোধগম্য নয়।

চুক্তিতে বাস চালানোর প্রবণতা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার বলে মনে করি আমরা। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে এবং সড়ক পরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে গত বছরের জুনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুরুত্বপূর্ণ ছয় দফা নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

নির্দেশনাগুলো হল- দূরপাল্লার গাড়িতে বিকল্প চালক রাখা, একজন চালকের পাঁচ ঘণ্টার বেশি গাড়ি না চালানো, চালক ও তার সহকারীর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা, নির্দিষ্ট দূরত্ব পরপর সড়কের পাশে সার্ভিস সেন্টার বা বিশ্রামাগার তৈরি করা, অনিয়মতান্ত্রিকভাবে রাস্তা পারাপার বন্ধ করা বা সিগন্যাল মেনে পথচারী পারাপারে জেব্রা ক্রসিংয়ের ব্যবহার এবং চালক ও যাত্রীদের সিটবেল্ট বাঁধা নিশ্চিত করা। এসব নির্দেশনার বাস্তবায়নেও নিতে হবে কার্যকর পদক্ষেপ।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি radio-lalon'কে জানাতে ই-মেইল করুন- @gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

radio-lalon'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। radio-lalon | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT