মঙ্গলবার ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম
◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষিত ও ভালো মানুষ বাড়াতে হবে ◈ শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষ্যে বাহাদুরপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানের অর্থায়নে ২ শতাধীক পরিবারের বস্ত্র বিতরণ ◈ আখাউড়ায় বিশেষ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিসহ আটক ১০ ◈ গাজীপুর মহানগর চাপুলিয়া মফিজ উদ্দিন খান উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে মোহাম্মদ নূরুল হক খান প্যানেল বিজয় ◈ বরুড়ায় ক্ষুদে কবি সবুজের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ◈ টঙ্গিবাড়িতে কারিগরি শিক্ষা বিষয়ক উদ্বুদ্ধকরণ সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ◈ তাহিরপুর পাটলাই নদীর তীরে মজুদ করা দুই মেট্রিকটন অবৈধ কয়লা জব্দ করেছে বিজিবি ◈ রাঙ্গুনিয়ায় একাধিক মামলায় জড়িত কালা বাচা আটক ◈ মোহনপুরে শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষে বস্ত্র বিতরণ করলেন এম.পি আয়েন উদ্দিন ◈ চকরিয়া পৌরশহরের পেঁয়াজের দোকানে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান

কৃমির সংক্রমণে ভোগে ৩৪ শতাংশ শিশু

প্রকাশিত : ০৭:২১ পূর্বাহ্ণ, ৩ অক্টোবর ২০১৯ বৃহস্পতিবার ১০৬ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :
alokitosakal

দেশে ৫ থেকে ১৬ বছরের শিশুদের ৩৪ শতাংশই কৃমি সংক্রমণ জনিত অসুখে ভোগে। ২০২১ সালের মধ্যে এ সংখ্যাটি শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে চায় সরকার। ফাইলেরিয়াসিস নির্মূল, কৃমি নিয়ন্ত্রণ শাখা ও ক্ষুদে ডাক্তার কার্যক্রমের আওতায় এ লক্ষ্যে কাজ চলছে।

আজ মঙ্গলবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ২৩তম জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ। এই সাতদিন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী প্রায় চারকোটি শিশুকে কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ানো হবে। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে কৃমি নির্মূল করার লক্ষ্যে ৫ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুদের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা এ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

দেশব্যাপী ক্ষুদে ডাক্তার টিমের মাধ্যমে কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ পালন করা হবে। চার কোটি শিশুকে একডোজ কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ানোর পাশাপাশি কৃমির পুঃনসংক্রম রোধকল্পে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহার সম্পর্কেও সচেতন করে তোলা হবে।

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশে কৃমির সংক্রমণ বয়স্ক মানুষের চেয়ে শিশুদের মধ্যেই বেশি। তার মধ্যে শূন্য থেকে চার বছর বয়সী শিশু সাত শতাংশ, পাঁচ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু ৩২ শতাংশ, ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী ১৫ শতাংশ, ২৫ থেকে ৪৪ বছর বয়সী মানুষ সাত শতাংশ, ৪৫ থেকে ৫৪ বছরের মানুষ পাঁচ শতাংশ ৫৫ থেকে তার বেশি বয়সী মানুষের চার শতাংশ কৃমি সংক্রমণে আক্রান্ত হয়।

কৃমি সংক্রমণ রোধে ২০০৭ সালে সরকার তিন জেলা দিয়ে একটি কার্যক্রমের শুরু করে। পর্যায়ক্রমে ওই বছরের জুন পর্যন্ত ১৬ জেলায় এ কার্যক্রম বিস্তৃত করা হয়। ওই ধারাবাহিকতায় ২০০৮ সালের মে পর্যন্ত ২৪ জেলায় আর একই বছরের নভেম্বরের মধ্যে ৬৪ জেলাকেই এই কার্যক্রমের আওতায় নিয়ে আসা হয়। শুরুতে এ কার্যক্রম প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে সীমিত ছিল। পরে তা পাঁচ থেকে ১৬ বছরের সব শিশুকে কার্যক্রমের মধ্যে নিয়ে আসা হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, বর্তমানে দেশের এক লাখ ২০ হাজার প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ৩৩ হাজার মাধ্যমিক পর্যায়ের বিদ্যালয়, মাদ্রাসা এই কর্মসূচীর আওতাভুক্ত।

এই ধারাবাহিকতায় আজ দেশে শুরু হচ্ছে ২৩তম রাউন্ড কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ। এবার ৩ কোটি ৯৮ লাখ ৩২ হাজার ৮০৪ জন শিশুকে কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ানো হবে। শিশুদের মধ্যে ওষুধ সেবনের হার ৯৫ থেকে ৯৮ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার ফাইলেরিয়াসিস নির্মূল, কৃমি নিয়ন্ত্রণ শাখা ও ক্ষুদে ডাক্তার কার্যক্রমের ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যনেজার ডা. মোহাম্মদ জহিরুল করিম জানান, ২৩তম কৃমি সপ্তাহে চার কোটি শিশুকে কৃমিনাশক খাওয়ানো হবে। দেশের মোট শিশুর ৮৯ শতাংশ শিশু কৃমি সংক্রমনে আক্রান্ত ছিল। এই কার্যক্রমের কারণে এখন তা কমে ৮ শতাংশে এসেছে। আমাদের লক্ষ্য ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে কৃমিমুক্ত করা।

জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় কৃমির বিষয়টি মানুষের কাছে সহজে পরিলক্ষিত হলেও অনেকটা উপেক্ষিত থেকে যায়। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, এ বিষয়টি মোটেও হেলাফেলার নয়। কৃমি মানুষের পেটে পরজীবি হিসেবে বাস করে এবং খাবারের পুষ্টি খেয়ে ফেলে। যার কারণে শিশুরাই বেশিভাগ পুষ্টিহীনতায় ভুগে। কৃমি মানুষের অন্ত্র থেকে রক্ত শোষন করে ফলে শিশুরা রক্তশূণ্যতায় ভোগে। বদহজম ডায়রিয়া ও শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি করে। এমনকি শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধির ব্যাঘাত ঘটায়। কৃমি অতিশয় সংক্রমণ মৃত্যুর কারণও হতে পারে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি radio-lalon'কে জানাতে ই-মেইল করুন- @gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

radio-lalon'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। radio-lalon | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT